Bonolota Express (বনলতা এক্সপ্রেস) is an upcoming Bangladeshi Bengali-language film directed by Tanim Noor. The film is inspired by a story written by the legendary Bangladeshi writer Humayun Ahmed, whose storytelling has influenced generations of readers and filmmakers across Bangladesh. The screenplay and dialogue for the film have been written by Samiul Bhuiayan and Ayman Asib Shadhin, promising a fresh cinematic interpretation of the beloved author’s narrative style.
The movie features a powerful ensemble cast including Shariful Razz, Sabila Nur, Chanchal Chowdhury, Mosharraf Karim, Azmeri Haque Badhan, Zakia Bari Mamo and several other talented performers. Produced by Buriganga Talkies in collaboration with Hoichoi Studios, the film is scheduled to release during Eid-Ul-Fitr 2026. With a story rooted in the imagination of Humayun Ahmed and a modern cinematic treatment, Bonolota Express is already generating strong curiosity among Bangladeshi cinema lovers.
Movie Information
- Film: Bonolota Express (বনলতা এক্সপ্রেস)
- Story: Humayun Ahmed
- Budget: 1 Core
- Screenplay: Samiul Bhuiayan & Ayman Asib Shadhin
- Dialogue: Samiul Bhuiayan & Ayman Asib Shadhin
- Direction: Tanim Noor
- Cast: Shariful Razz, Sabila Nur, Chanchal Chowdhury, Mosharraf Karim, Azmeri Haque Badhan, Zakia Bari Mamo, Intekhab Dinar, Shamima Nazneen, Shamol Mawla, Tridha Paul, Labonno Chowdhury and many more
- DOP: Barkat Hossain Polash
- Edit: Saleh Sobhan Auneem
- Music:
- Production: Buriganga Talkies & Hoichoi Studios
- Distribution: Buriganga Talkies
- Release: Eid-Ul-Fitr, 2026
- Language: Bengali
- Country: Bangladesh
- StoryLine: On a foggy winter night, strangers with secrets collide aboard the Bonolota Express. Personal and political crises erupt, revealing hidden grief, moral decay, and unexpected compassion. By dawn, passengers emerge forever changed.
Related Posts
বনলতা এক্সপ্রেস সিনেমা দেখার জন্য নকল টিকিটের মজার গল্প
বনলতা এক্সপ্রেস সিনেমাটি দেখার ইচ্ছা ছিল রায়হানের অনেক দিনের। চারপাশে সবাই যখন সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা করছে, তখন তার ভেতরেও আগ্রহটা দিন দিন বাড়ছিল। কিন্তু সমস্যা হলো—সিনেপ্লেক্সে কোনোভাবেই টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। অনলাইনে বুকিং ফাঁকা নেই, কাউন্টারেও লম্বা লাইন, তবুও টিকিট নেই। এই অবস্থায় রায়হান একটু ভিন্ন পথ ভাবতে শুরু করল।
একসময় তার মাথায় একটা আজব কিন্তু “চালাক” আইডিয়া এলো। সে সরাসরি নীলক্ষেতে গিয়ে সিনেপ্লেক্সের মতো দেখতে একটা টিকিট বানিয়ে ফেলল। অবাক করার মতো বিষয় হলো—টিকিটটা এতটাই নিখুঁতভাবে তৈরি হয়েছিল যে, দেখলে কেউ বুঝতেই পারবে না এটি নকল। নিজের কাজ দেখে রায়হান নিজেই বেশ খুশি হয়ে গেল।
সিনেপ্লেক্সে প্রবেশ: সহজ শুরু
টিকিট হাতে নিয়ে রায়হান আত্মবিশ্বাসের সাথে সিনেপ্লেক্সে ঢুকে পড়ল। গেটে চেকিংয়ের সময়ও কোনো সমস্যা হলো না। গেটম্যান টিকিট দেখে একদম স্বাভাবিকভাবেই তাকে ঢুকতে দিল। মনে হলো যেন তার প্ল্যান পুরোপুরি সফল হতে চলেছে।
রায়হান গিয়ে নিজের সিটে বসে পড়ল। সিনেমা তখনো শুরু হয়নি। সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল, যতক্ষণ না হঠাৎ করে সমস্যা তৈরি হলো।
সমস্যার শুরু: একই সিটে দুই টিকিট!
কিছুক্ষণ পর একটি ছেলে ও একটি মেয়ে এসে জানাল, এই সিটটি তাদের। রায়হান অবাক হয়ে নিজের টিকিট দেখাল। সেখানে তো স্পষ্টভাবেই একই সিট নম্বর লেখা! অর্থাৎ, এক সিটে দুইটি টিকিট!
পরিস্থিতি মুহূর্তের মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে উঠল। আশেপাশে হালকা হৈচৈ শুরু হয়ে গেল। বিষয়টি ম্যানেজমেন্ট পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
ম্যানেজারের এন্ট্রি: অপ্রত্যাশিত মোড়
ম্যানেজার দ্রুত এসে পরিস্থিতি সামাল দিলেন। তিনি রায়হানকে ভদ্রভাবে বললেন, “স্যার, আপনি একটু আমার সাথে আসেন, আমরা বিষয়টা ঠিক করে দিচ্ছি।”
রায়হানকে নিয়ে যাওয়া হলো ম্যানেজারের রুমে। সেখানে তাকে বসানো হলো, এমনকি কফিও দেওয়া হলো। এরপর ম্যানেজার দুঃখ প্রকাশ করে বললেন—এমন ভুল তারা আগে কখনো দেখেননি।
রায়হান কিছুটা বিরক্ত হয়ে জিজ্ঞেস করল, এখন সে কী করবে। তখন ম্যানেজার প্রস্তাব দিলেন—আজকের টিকিট না থাকায়, দুইদিন পরের দুইটি টিকিট দেওয়া হবে।
অপ্রত্যাশিত লাভ: টাকা + টিকিট
এখানেই শেষ না—ম্যানেজার রায়হানকে অতিরিক্ত ২০০০ টাকাও দিয়ে দিলেন, যেন তার অসুবিধার জন্য ক্ষতিপূরণ হয়।
রায়হান তো একেবারে খুশিতে আত্মহারা! সে ভেবেছিল ধরা পড়বে, কিন্তু উল্টো সে পেলো দুইটা টিকিট আর ২০০০ টাকা!
- নকল টিকিট বানালো
- সিনেপ্লেক্সে ঢুকে গেল
- ধরা না পড়ে বরং লাভ করে ফেলল
পরের দিনের প্ল্যান: গার্লফ্রেন্ডের সাথে মুভি
রায়হান দ্রুত তার গার্লফ্রেন্ডকে ফোন করে জানালো—সে বনলতা এক্সপ্রেস সিনেমার টিকিট জোগাড় করেছে। মেয়েটিও খুব খুশি হলো। পরিকল্পনা হলো, পরদিন তারা একসাথে সিনেমা দেখতে যাবে।
তার উপর হাতে রয়েছে বাড়তি টাকা—মানে ডেটটা আরও জমজমাট হবে!
টুইস্ট: নকল টাকার আসল ধরা
পরদিন সকালে রায়হান রেস্টুরেন্টে বসে নাস্তা করছিল। বিল দিতে গিয়ে সে ১০০০ টাকার নোট দিল। ওয়েটার এসে বলল—নোটটি বদলাতে হবে।
রায়হান তখন আরেকটি ১০০০ টাকার নোট দিল—যেটা সে সিনেপ্লেক্স থেকে পেয়েছিল। কিন্তু এবারও একই সমস্যা!
ওয়েটার জানালো—দুইটিই নকল টাকা!
শেষের শিক্ষা: যেটা আপনি ভাবেননি
রায়হান হতবাক হয়ে গেল। সে দ্রুত বাইরে বের হয়ে নিজের টিকিটগুলো ভালো করে দেখল।
সেখানে লেখা ছিল—
"টিকিট শুধু আপনি বানাতে পারেন, আমরা পারি না!" 😄
এই মজার গল্পটি আমাদের একটা বিষয় শেখায়—চালাকি করতে গেলে কখনো কখনো নিজেরই ফাঁদে পড়তে হয়।
উপসংহার (Conclusion)
এই গল্পটি শুধু হাসির নয়, এর মধ্যে একটি ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা লুকিয়ে আছে। অনেক সময় আমরা মনে করি একটু চালাকি করলে সহজেই লাভবান হওয়া যায়। কিন্তু বাস্তবে সেই চালাকি উল্টো নিজের উপরই ফিরে আসে।
রায়হানের মতো অনেকেই শর্টকাট নিতে চায়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত বুঝতে পারে—সঠিক পথেই আসল লাভ। তাই জীবনে সৎভাবে চলাই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত।